বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী সদর উপজেলার কেশবপুর আল আমিন দাখিল মাদ্রাসায় বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা সভা,কেরাত, সঙ্গীত, রচনা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা এবং দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকাল ১০ টায় মাদ্রাসার সভাকক্ষে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের স্বতঃপূর্ত অংশগ্রহণে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা সভা,কেরাত, সঙ্গীত, রচনা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা এবং দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ইউনুস আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন,মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতার বড় ছেলে অনলাইন নিউজ পোর্টাল সকাল সংবাদ এর প্রকাশক ও সম্পাদক সিহাব তোহা,মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মোঃ আঃ কুদ্দুস,সহকারী শিক্ষক(সমাজ বিজ্ঞান) মোঃ ইব্রাহিম খলিল, সহকারী শিক্ষক(কৃষি) মোঃ ইকরামুল হক,সহকারী মৌলভী(আরবী) মোঃ জাকির হোসেন, সহকারী মৌলভী (আরবী) মোঃ হাফিজুর রহমান,সহকারী শিক্ষক (ইংরেজী) মোঃ নাসির ইকবাল, ইবতেদায়ী প্রধান মোঃ নুরুজ্জামান,ইবতেদায়ী জুনিয়র শিক্ষক মোঃ আঃ মালেক,ইবতেদায়ী ক্বারী মোঃ আঃ মতলেব,ইবতেদায়ী জুনিয়র মৌলভী মোঃ আল – আমিন প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,আজ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস। ১৯২০ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ার সম্ভান্ত শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম শেখ লুত্ফর রহমান ও মাতার নাম সায়েরা খাতুন। পিতা-মাতার চার কন্যা এবং দুই পুত্রের সংসারে তিনি ছিলেন তৃতীয়। খোকা নামের সেই শিশুটি পরবর্তীতে হয়ে ওঠেন নির্যাতিত-নিপীড়িত বাঙালির ত্রাতা ও মুক্তির দিশারী। গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ এবং জনগণের প্রতি মমত্ববোধের কারণে পরিণত বয়সে হয়ে ওঠেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা। এক রাজনৈতিক সংগ্রামবহুল জীবনের অধিকারী এই নেতা বিশ্ব ইতিহাসে ঠাঁই করে নেন স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার হিসাবে। বাঙালি জাতির ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অবদান চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে।

এ সময় বক্তারা আরও বলেন,বাংলার মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ পরাধীনতার নাগপাশ থেকে মুক্ত হতে পারত না। বঙ্গবন্ধুর লড়াই-সংগ্রামের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বাঙালির জীবনমান উন্নতকরণ। নিপীড়িত বাঙালির ত্রাতা হিসেবে—জননায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের আপসহীন নেতৃত্ব চিরদিন বাঙালি জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। বঙ্গবন্ধুই বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয়।

পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরন করা হয় এবং স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গ সহ ১৫ আগস্ট শাহাদত বরন কারী সকল শহীদ পরিবার ও ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদত বরণ কারী শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে দেশের অব্যাহত, শান্তি ও সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করা হয়।