ইউনিয়নের হাল ধরতে মাঠ ঘাট চষে বেড়াচ্ছেন কাজী সেলিম

মিজানুর রহমান অপু, পটুয়াখালী থেকেঃ আসন্ন নবগঠিত মৌকরন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২২ কে সামনে রেখে ইউনিয়নের হাল ধরতে মাঠ ঘাট চষে বেড়াচ্ছেন মৌকরন ইউনিয়নের কৃর্তি সন্তান কাজী রাইসুল ইসলাম সেলিম । গত বৃহস্পতিবার কাজী সেলিমের কর্মীরা মৌকরণ ইউনিয়ন এ বিশাল মটর সাইকেল শোডাউনের আয়োজন করে। মৌকরণ বাজার থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি ইউনিয়নের প্রতিটি বাজার,পাড়া-মহল্লা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মৌকরন বাজারে এসে শেষ হয়।

শোডাউনে জনগণের উপচে পড়া ভীড় ছিলো চোখে পরার মতো । ১৫ বছরের শিশু থেকে ৮০ বছরের বৃদ্ধেরও উপস্থিতি মিলেছে কাজী সেলিমের সেই গণসংযোগে।প্রতিটি বাজারে তিনি শোডাউন থামিয়ে শুনেছেন মানুষের কথা। প্রতিটি মানুষ এখন পরিবর্তন চায় বলে জানিয়েছে মৌকরণ ইউনিয়নবাসী।

সারেজমিনে দেখা যায় অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় জনসমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন তরুন নেতা কাজী রাইসুল ইসলাম সেলিম ।

স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায়,কাজী সেলিম বিগত ৫ বছরের অধিক সময় থেকেই সরাসরি মৌকরণ ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছে ঘরের ছেলে হয়ে।গত ৫ বছর ধরে ইউনিয়নবাসীদের শিক্ষা,চিকিৎসাসেবা সহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে আসছেন কাজী রাইসুল ইসলাম সেলিম । বিনাস্বার্থে মানুষের পাশে থেকেছেন সবসময়।

৬০ বছর বয়সের এক বৃদ্ধ মালেক মল্লিক আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, সেলিম আমার ঘরের পোলা।সবসময় আমাগো সুযোগ সুবিধার কথা ভাবে। অনেক নেতার পিছে ঘোরতে ঘোরতে জুতার তলি ক্ষইয়া যায়, কিন্তু আমার পোলা সেলিমরে একটা ফোন দেলেই যথেষ্ট।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এই কাজী রাইসুল ইসলাম সেলিম ইউনিয়নের গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, সরকারি – বেসরকারী বিভিন্ন শিক্ষা অনুদান পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন নিজ উদ্যোগে। অস্বচ্ছল গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন দেবদূতের মতো। বহু শিক্ষার্থীর রেজিষ্ট্রেশন, ফরমফিলাপ নাম মাত্র টাকা নিয়ে করে দিয়েছেন।অনেকের আবার করে দিয়েছেন একেবারে বিনামূল্যে।

একজন কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী বলেন,আমি টাকার অভাবে ফরমফিলাপ করতে পারিনি।ফরমফিলাপের শেষ দিন আমি সেলিম কাকাকে ফোন দিয়ে আমার সমস্যার কথা জানালে তিনি আমার ফরম ফিলাপের ব্যাবস্থা করে দেয়।এরপর থেকে সবসময় সেলিম কাকা আমার খোঁজ খবর রেখেছেন। যেকোন সমস্যায় তিনি আমার মতো আরো বহু মানুষের পাশে থেকেছেন সর্বদা। আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আমরা পরোপকারী সেলিম কাকাকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,মৌকরণ ইউনিয়নের জনসাধারণের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য কাজী রাইসুল ইসলাম সেলিম তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক টিম কাজ করে।ইউনিয়নের যেকোন গরীব রোগীর চিকিৎসা সেবার জন্য সব ধরনের সহযোগীতা করে এই স্বেচ্ছাসেবক টিম।একেবারে স্বল্প মূল্যে নাম মাত্র অর্থের বিনিময়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় বলে জানা যায়।

তারেক,রাব্বি,তুহিন সহ একাধিক শিক্ষার্থী জানান,ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি ক্রীড়া সংগঠন নামে থাকলেও বহুদিন তা একেবারেই বন্ধ ছিলো।সংগঠনগুলোকে কাজী সেলিমের তত্বাবধানে পুনরায় চালু করে ইউনিয়নে প্রতিবছর বিভিন্ন খেলাধুলা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ক্রিকেট, ফুটবল সহ বেশ কয়েকটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে কাজী রাইসুল ইসলাম সেলিম । প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান করা হয় ঝমকালো আয়োজনে। ধারাবাহিকভাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত,এজন্য আমরা কাজী সেলিম কে ধন্যবাদ জানাই। ক্রীড়া চর্চার মধ্যে থাকলে যুবসমাজ নেশার মরণ থাবা থেকে নিজেকে আলাদা রাখতে সক্ষম হয়।আমরা চাই এই ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকুক।

শুধু খেলাধুলাই নয় কাজী সেলিমের নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে এগিয়ে যাচ্ছে নবগঠিত মৌকরণ ইউনিয়ন।

জানা যায়,কাজী রাইসুল ইসলাম সেলিম
সাংগঠনিক সম্পাদক, রমনা ও হাতিরঝিল থানা আওয়ামীলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ দায়িত্ব পালন করছেন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে। তিনি বিরোধীদলের হামলা মামলার স্বীকার হয়েছেন বহুবার। বহু নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে তাকে এবং তার পরিবারকে।

এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কাজী রাইসুল ইসলাম সেলিম বলেন, আমি আমার নিজের জন্য কখন ও কিছু করি নাই। আমি সব সময় চেয়েছি আমার ইউনিয়নের উন্নয়ন আমি বেশ কিছু রাস্তা, ব্রিজ ও বিদ্যুৎ এর ব্যাবস্থা করে দিয়েছি এলাকাবাসীর জন্য আমি বিশ্বাস করি আমার ইউনিয়ন এর মানুষ যদি সুষ্ঠভাবে ভোট দিতে পারে তাহলে আমি চেয়ারম্যান হয়ে আমার ইউনিয়নের জনগনের সেবা করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।